সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ মৎস্যচাষীরা

  • আপলোড সময় : ২১-০২-২০২৬ ০২:১৪:১৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-০২-২০২৬ ০২:১৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ মৎস্যচাষীরা
আশিস রহমান ::
দোয়ারাবাজার উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা তেলাপিয়া মাছের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হতাশায় দিন পার করছেন স্থানীয় খামারিরা। বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি তেলাপিয়া মাছ পাইকারি দরে মাত্র ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম বলে অভিযোগ চাষীদের। উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আলীপুর, টেংরাটিলা, নূরপুর, গিরিশনগর, টিলাগাঁও, মহব্বতপুর এবং সদর ইউনিয়নের টেবলাই ও লামাসানিয়াসহ বিভিন্ন গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে তেলাপিয়া মাছের চাষ হয়। স্থানীয় মৎস্যচাষীরা জানান, পুকুর লিজ নেওয়া, পোনা ক্রয়, খাদ্য, পরিচর্যা ও বিদ্যুৎ বিলসহ মাছ চাষে খরচ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। সবমিলিয়ে কেজি প্রতি মাছের উৎপাদনে খরচ দাঁড়ায় ১৬৭-১৭০ টাকায়। কিন্তু বাজারে পাইকারি পর্যায়ে ১৪০ টাকা কেজি দরে মাছ বিক্রি করতে হওয়ায় চাষীদের বড় অংকের লোকসান গুণতে হচ্ছে। আলীপুর গ্রামের মাছ চাষী আব্দুর রহিম বলেন, এ বছর খরচ হয়েছে অনেক, কিন্তু মাছ বিক্রির সময় দাম পাচ্ছি না। ১৪০ টাকা পাইকারি দরে মাছ বিক্রি করলে উৎপাদন খরচই উঠছে না। এভাবে চলতে থাকলে মাছ চাষ বন্ধ করে দিতে হবে। একই গ্রামের মাছ চাষী হাবিবুল কবির শুভ বলেন, ন্যায্য মূল্য না পেয়েও বাধ্য হয়ে বিক্রি করে দিচ্ছি। পুকুরে মাছ স্টক রাখলে খাবার কিনে খাওয়াতে হবে। টেংরাটিলা গ্রামের চাষী শের মাহমুদ ভূঁইয়া বলেন, খাদ্যের দাম অনেক বেশি। আমরা যে দরে মাছ বিক্রি করছি, তাতে আমাদের লোকসান ছাড়া উপায় নেই। বৈঠাখাই গ্রামের মাছ বিক্রেতা দুলাল মিয়া বলেন, বাজারে এখন বিলের দেশী মাছের চাহিদা থাকায় চাষের তেলাপিয়া মাছের চাহিদা কম। তাছাড়া সব বাজারেই তেলাপিয়া মাছের সরবরাহ এখন বেশি। সারাদিন বসে থেকেও আগের মতো তেলাপিয়া মাছ বেচাকেনা হচ্ছেনা। এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হানিফ উদ্দিন জানান, প্রান্তিক মাছ চাষীরা ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার জন্য মার্কেটিং সিস্টেম অনেকাংশে দায়ী। বিশেষ করে অধিকাংশ খামারিরা টার্গেট করে মাছ চাষ করে। ফলে একই সময়ে বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়ে গেলে স্বাভাবিকভাবেই দাম কমে যায়। এজন্য মার্কেটিং সিস্টেমটাকে আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এছাড়া খাবারের দাম, ঔষুধের দামসহ মাছের চাষের আনুষাঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় খামারিরা আশানুরূপ লাভবান হতে পারছেন না।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স