সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ মৎস্যচাষীরা

  • আপলোড সময় : ২১-০২-২০২৬ ০২:১৪:১৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-০২-২০২৬ ০২:১৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ মৎস্যচাষীরা
আশিস রহমান ::
দোয়ারাবাজার উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা তেলাপিয়া মাছের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হতাশায় দিন পার করছেন স্থানীয় খামারিরা। বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি তেলাপিয়া মাছ পাইকারি দরে মাত্র ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম বলে অভিযোগ চাষীদের। উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আলীপুর, টেংরাটিলা, নূরপুর, গিরিশনগর, টিলাগাঁও, মহব্বতপুর এবং সদর ইউনিয়নের টেবলাই ও লামাসানিয়াসহ বিভিন্ন গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে তেলাপিয়া মাছের চাষ হয়। স্থানীয় মৎস্যচাষীরা জানান, পুকুর লিজ নেওয়া, পোনা ক্রয়, খাদ্য, পরিচর্যা ও বিদ্যুৎ বিলসহ মাছ চাষে খরচ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। সবমিলিয়ে কেজি প্রতি মাছের উৎপাদনে খরচ দাঁড়ায় ১৬৭-১৭০ টাকায়। কিন্তু বাজারে পাইকারি পর্যায়ে ১৪০ টাকা কেজি দরে মাছ বিক্রি করতে হওয়ায় চাষীদের বড় অংকের লোকসান গুণতে হচ্ছে। আলীপুর গ্রামের মাছ চাষী আব্দুর রহিম বলেন, এ বছর খরচ হয়েছে অনেক, কিন্তু মাছ বিক্রির সময় দাম পাচ্ছি না। ১৪০ টাকা পাইকারি দরে মাছ বিক্রি করলে উৎপাদন খরচই উঠছে না। এভাবে চলতে থাকলে মাছ চাষ বন্ধ করে দিতে হবে। একই গ্রামের মাছ চাষী হাবিবুল কবির শুভ বলেন, ন্যায্য মূল্য না পেয়েও বাধ্য হয়ে বিক্রি করে দিচ্ছি। পুকুরে মাছ স্টক রাখলে খাবার কিনে খাওয়াতে হবে। টেংরাটিলা গ্রামের চাষী শের মাহমুদ ভূঁইয়া বলেন, খাদ্যের দাম অনেক বেশি। আমরা যে দরে মাছ বিক্রি করছি, তাতে আমাদের লোকসান ছাড়া উপায় নেই। বৈঠাখাই গ্রামের মাছ বিক্রেতা দুলাল মিয়া বলেন, বাজারে এখন বিলের দেশী মাছের চাহিদা থাকায় চাষের তেলাপিয়া মাছের চাহিদা কম। তাছাড়া সব বাজারেই তেলাপিয়া মাছের সরবরাহ এখন বেশি। সারাদিন বসে থেকেও আগের মতো তেলাপিয়া মাছ বেচাকেনা হচ্ছেনা। এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হানিফ উদ্দিন জানান, প্রান্তিক মাছ চাষীরা ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার জন্য মার্কেটিং সিস্টেম অনেকাংশে দায়ী। বিশেষ করে অধিকাংশ খামারিরা টার্গেট করে মাছ চাষ করে। ফলে একই সময়ে বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়ে গেলে স্বাভাবিকভাবেই দাম কমে যায়। এজন্য মার্কেটিং সিস্টেমটাকে আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এছাড়া খাবারের দাম, ঔষুধের দামসহ মাছের চাষের আনুষাঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় খামারিরা আশানুরূপ লাভবান হতে পারছেন না।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স